বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুষ্টিয়া বিএটিবি তামাক ক্রয় অবৈধভাবে কাজ দখলে নিতে গিয়ে প্রতিরোধের শিকার সুমন : প্রতিবাদী কন্ঠ আরিফুর রহমান সুমনের অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত : বিশিষ্ট তামাক ব্যবসায়ী সিহাব উদ্দিনের প্রতিবাদ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ার শিল্পোদ্যোক্তা আলাউদ্দিন আহমেদ ‘শতাব্দী পুরুষ’ সম্মাননায় ভূষিত : প্রতিবাদী কন্ঠ শীর্ষ চরমপন্থী সন্ত্রাসী লিপটনের সেকেন্ড ইন কমান্ড বোমা মাসুম অস্ত্রসহ আটক : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়া কুমারখালীতে অবৈধভাবে জমির মাটি ভাটায় বিক্রি : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়া বটতৈল ইউনিয়নে আ’লীগের পোস্টধারী নেতাদের অতর্কিত হামলা ও নাটক সাজানোর অভিযোগ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় বৃদ্ধার গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার : প্রতিবাদী কন্ঠ মেহেরপুর শিক্ষা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কমিশনে টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়া গণপূর্ত অফিসেই ১৮ বছর’ আ’লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত অনুপ সাহা : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়া সিভিল সার্জনে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুদক : প্রতিবাদী কন্ঠ

দেশের সর্বপ্রথম রেলওয়ে স্টেশনটি অবহেলায় ঐতিহ্য হারাতে বসেছে

প্রতিবাদী কণ্ঠ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
  • ১০৪০ পাঠক পড়েছে

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম কুষ্টিয়ার জগতি এলাকায় রেলওয়ে স্টেশনটি আজ তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর কলকাতার রাণাঘাট থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত ৫৩.১১ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ চালু হয়। রেলপথ ও জগতি স্টেশন স্থাপনের পর দেশে শুরু হয় রেলওয়ের যাত্রা। কিন্তু অবহেলায় ঐতিহ্য হারাচ্ছে দেশের প্রথম রেলওয়ে স্টেশনটি। পরবর্তীতে ১৮৭১ সালের ১ জানুয়ারিতে গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত আরও ৭৫ কিলোমিটার রেলপথ সম্প্রসারণসহ পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে রেলওয়ের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হয়।

কিন্তু ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারক আড়াই’শ বছর আগে স্থাপিত দেশের প্রথম এ স্টেশনটির বর্তমান অবস্থা খুবই নাজুক ও জরাজীর্ণ। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অবহেলায় সংস্কার কিংবা আধুনিকায়নের অভাবে দোতলা স্টেশন ভবনটি এখন ব্যবহার অনুপযোগী ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সময় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও পণ্য পরিবহনে এ অঞ্চলের মানুষের কাছে জগতি রেলওয়ে স্টেশনটির গুরুত্ব ও কদর ছিল। কালের বিবর্তনে ঐতিহ্যমণ্ডিত এই স্টেশনটির আসল রুপ-সৌন্দর্য ও জৌলুস হারিয়ে গেছে। দোতলা স্টেশন ভবনটির ছাদে জন্মেছে প্রচুর আগাছা। ভবনটিতে ধরেছে ফাটল। অযত্ন-অবহেলায় স্টেশন ভবনটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্লাটফর্মের ইট ও গাঁথুনি ক্ষয়ে গেছে। প্লাটফর্মের অদূরেই তৎকালীন সময় নির্মিত বিশাল আয়তনের ওভারহেড পানির ট্যাংকটি বিলীন হয়ে গেছে।

স্টেশন মাস্টাসহ প্রয়োজনীয় লোকবল পদায়ন নেই দীর্ঘকাল। ফলে গেট কিপার ও পয়েসম্যানসহ মাত্র দু’জন কর্মচারীই স্টেশনটি রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখভাল করেন। এ স্টেশনে নিরাপত্তাকর্মী আরও ১০-১২টি পদ রয়েছে শূন্য। শুধুই কাগজে-কলমে স্টেশনটির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা হয়েছে। এ স্টেশন ডিঙ্গিয়ে খুলনা-গোয়ালন্দ ঘাট, রাজশাহী গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ি-পোড়াদহ জংশন রুটে প্রতিদিন ৮-১০টি ট্রেন চলাচল করে। কিন্তু জগতি স্টেশনটিতে সব ট্রেনের স্টপেজ নেই। শুধুমাত্র নকশী কাঁথা মেইল ও স্যাটল ট্রেন এই স্টেশনে উঠা-নামার সুযোগ পান। ফলে স্টেশনটির জীর্ণদশা ও দুরবস্থায় যাত্রীদেরও পোহাতে হয় দুর্ভোগ। স্টেশনে ওয়েটিং রুম, ওয়াশ রুমসহ যাত্রী সেবার বালাই নেই। পর্যাপ্ত বাতি ও নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় রাতের বেলায় স্টেশনে নেমে আসে ভুতুড়ে অন্ধকার ও নিস্তবতা।

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2021-2022 । প্রতিবাদী কন্ঠ
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580