বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক পুলিশ হেফাজতে : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ার লাহিনী বটতলায় রহস্যজনক বিস্ফোরনে আহত ১ কুষ্টিয়া পদ্মা নদীতে নৌ পুলিশের উপর সন্ত্রাসীদের হামলায় ওসি সহ গুলিবিদ্ধ ৫ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়া বিএটিবি তামাক ক্রয় অবৈধভাবে কাজ দখলে নিতে গিয়ে প্রতিরোধের শিকার সুমন : প্রতিবাদী কন্ঠ আরিফুর রহমান সুমনের অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত : বিশিষ্ট তামাক ব্যবসায়ী সিহাব উদ্দিনের প্রতিবাদ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ার শিল্পোদ্যোক্তা আলাউদ্দিন আহমেদ ‘শতাব্দী পুরুষ’ সম্মাননায় ভূষিত : প্রতিবাদী কন্ঠ শীর্ষ চরমপন্থী সন্ত্রাসী লিপটনের সেকেন্ড ইন কমান্ড বোমা মাসুম অস্ত্রসহ আটক : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়া কুমারখালীতে অবৈধভাবে জমির মাটি ভাটায় বিক্রি : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়া বটতৈল ইউনিয়নে আ’লীগের পোস্টধারী নেতাদের অতর্কিত হামলা ও নাটক সাজানোর অভিযোগ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় বৃদ্ধার গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার : প্রতিবাদী কন্ঠ

কুষ্টিয়ায় ৮ বছরের শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু: পরিবারের দাবি ধর্ষনের পর হত্যা : প্রতিবাদী কন্ঠ

প্রতিবাদী কণ্ঠ ডেস্ক:
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ৬ মার্চ, ২০২২
  • ৫৯১ পাঠক পড়েছে

প্রতিবাদী কণ্ঠ ডেস্ক : কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়া এলাকায় সুরাইয়া নামের ৮ বছরের প্রথম শ্রেণীর স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীর গলায় দড়ি দিয়ে রহস্যজনক মৃত্যুতে এলাকায় টানটান উত্তেজনা চলছে। নিহতের পরিবার দাবি করছে সুরাইয়াকে ৪-৫ জন ধর্ষনের পর হত্যা করে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে। সুরাইয়ার শরীরের দুই কাধে এবং দুই পায়ে হাত দিয়ে চেপে ধরে রাখার আঘাতও দেখেছে পরিবারের সদস্য বলে জানিয়েছে।

এই নিয়ে রবিবার দুপুরবেলা এলাকাবাসী সহ নিহতের পরিবারের লোকজন ৪-৫ জনের বাড়িঘর দোকানপাট ভাংচুরের চেষ্টা চালিয়েছে। পরে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে। লাশ ময়নাতদন্তের পর বাড়িতে নিয়ে আসলে হাজার হাজার মানুষ লাশ দেখতে ভীড় করে।
শনিবার সন্ধ্যার পর গলাই ওড়না প্যাচানো অবস্থায় সুরাইয়াকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।সুরাইয়া কুষ্টিয়া পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের পূর্ব মিলপাড়া এলাকার রুবেল আলীর মেয়ে। সে আলাউদ্দিন আহমেদ একাডেমি স্কুলের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা মাছ ব্যবসায়ী।

সুরাইয়ার মা ইমা খাতুন বলেন, অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজি পরে রাত ৭টার দিকে টিনের ঘরে গিয়ে দেখি ঘরের ডাপের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অচেতন অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। আমার মেয়ের কি হলো বুঝতে পারছি না। এতটুকু শিশু আত্মহত্যা করবে কেন? আমার মেয়ে আত্মহত্যা করার মেয়ে না।

সুরাইয়ার বাবা রুবেল আলী বলেন, আমি বাড়ির বাইরে ছিলাম। ফোন পেয়ে বাড়ি এসে দেখি মেয়ে মারা গেছে। ঘরের মধ্যে আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ছিল। আমার স্ত্রী ওড়না কেটে তাকে উদ্ধার করে। স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা বুঝতে পারছি না। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করবে কেন? সেতো আত্মহত্যা কী তাই বোঝে না।

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2021-2022 । প্রতিবাদী কন্ঠ
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580