
প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক ॥ গত ১১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্র ঘোষিত দশ দফা দাবিতে পদযাত্রার উদ্দেশ্যে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আব্দালপুর ইউনিয়নের পিয়ারপুরে যাওয়ার পথে মধ্যে ছাত্রলীগের বাঁধার মুখে পরেন বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক এমপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন। এসময় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এসএ টিভির ক্যামেরাম্যানকে মারধর করে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। ইতিমধ্যে ইবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঘটনাস্থলে এসে অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন কে কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিতে যেতে বাঁধা দেন। এসময় কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন কে গুলি করার হুমকি প্রদান করেন ওসি। এবং এসএ টিভির ক্যামেরাম্যানকে গ্রেফতার করে, তার পূর্বে পিয়ারপুর বাজার থেকে আরো তিন জনকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে সেই দিন রাতেই এসএ টিভির ক্যামেরাম্যান সহ তিন জন কে ছেড়ে দেন। এরপর বিএনপি নেতা তৈয়বুর রহমান সহ ২৩ জনের নাম মিথ্যা নাশকতা মামলা দায়ের করেন। এবং সদর থানা এলাকায় আরো ১১ জনকে গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা নাশকতা মামলা দায়ের করেন। কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক বশিরুল আলম চাঁদ ও সদস্য সচিব জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন সাথে অসভনীয় আচরণ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির পালন করতে আসার নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও মামলার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানান। নেতৃবৃন্দ দ্রুত মিথ্যা মামলা তুলে নেওয়ার জোর দাবি জানান। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি।