বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ১০:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আবারো আলোচনায় সেই রবিজুল, দুজনকে তালাক দিতে ২২ গ্রাম প্রধানের চাপ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর কলেজে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় লিজকৃত রেলের জমি বিক্রি করে বাড়ী নির্মান : প্রতিবাদী কন্ঠ সরকার কোন দূর্ণীতিবাজকে পৃষ্টপোশকতা করছে না -এমপি হানিফ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধে ভ্রাম্যমান ল্যাবরেটরি ভ্যানের যাত্রা শুরু : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালায় মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই : প্রতিবাদী কন্ঠ সাংবাদিক ইউনিয়ন কুষ্টিয়ার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পান চাষিদের মাঝে চেক বিতরণ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় ১০ দিন পর ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার : প্রতিবাদী কন্ঠ বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে ভাইরাল দৌলতপুরের ওসি রফিকুল : প্রতিবাদী কন্ঠ

বীর প্রতীক শেখ দিদার আলীর মাতাকে সম্মাননায় ভূষিত করলেন জয় নেহাল মানবিক ইউনিট : প্রতিবাদী কন্ঠ

এজাজ উচ্ছ্বাস :
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২
  • ৪৮২ পাঠক পড়েছে

এজাজ উচ্ছ্বাস : মহান স্বাধীনতা ও মুজিববর্ষ দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া আড়ুয়াপাড়ার কৃতি সন্তান শহীদ বীর প্রতীক শেখ দিদার আলীর গর্বিত ও রত্নগর্ভা মাতা সুফিয়া বেগমকে গত ২৫ মার্চ জয় নেহাল মানবিক ইউনিট সম্মাননায় ভূষিত করলেন। নুরুল ইসলামের ছেলে শেখ দিদার আলী পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করতেন কুষ্টিয়া টেলিফোন অফিসে। ১৯৭১ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি প্রতিরোধ যুদ্ধে সক্রিয় অংশ গ্রহণের জন্য চলে যান ভারতে।

১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে শেখ দিদার আলীসহ একদল মুক্তিযোদ্ধা ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আসেন। পাক দোসরদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বীর প্রতীক শেখ দিদার আলী। কুষ্টিয়া শহরের অদূরবর্তী দূর্বাচারা গ্রামে জিয়াউল বারী নোমানের নেতৃত্বে বিএলএফ এর একটি দল ছিল। তাদের পৃথক পৃথক ক্যাম্প ছিল।

উক্ত একটি ক্যাম্পের প্রধান ছিলেন শামসুল হাদী। ৫ই সেপ্টেম্বর তার অনুপস্থিতিতে ক্যাম্প ইনর্চাজ শাহাবুব আলী ও বাহারের নেতৃত্বে ৫ই সেপ্টেম্বর প্রায় ২০০ মুক্তিযোদ্ধা দুর্বাচারা এলাকায় অবস্থান নেয়। ঐ সকল মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ছিল শেখ শেখ দিদার আলী। তাদের গোপন অবস্থান সম্পর্কে রাজাকাররা কুষ্টিয়ার পিস কমিটিকে জানিয়ে দেয়। পিস কমিটি পাকসেনাদের ক্যাম্পে জানালে পাক বাহিনী ঐ সকল মুক্তিবাহিনীদের আক্রমণের উদ্দেশ্য ভাদালিয়া হয়ে দূর্বাচারার দিকে অগ্রসর হয় । পাকসেনাদের আগমনের খবর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে পৌছে যায়।

মুক্তিযোদ্ধারা দূর্বাচারার বংশীতলায় এ্যাম্বুশ করে সম্মুখ যুদ্ধে। পাকসেনারা সেনারা খুব কাছাকাছি চলে আসলে মুক্তিযোদ্ধাদের হঠাৎ আক্রমনে পাকিস্তানীরা হতভম্ভ হয়ে পড়ে। বংশীতলার এই সম্মুখ যুদ্ধে প্রায় ৮০ জন পাকসেনা ও কয়েক জন অফিসার নিহত হয়। অন্যদিকে সম্মুখযুদ্ধে নুরুল ইসলামের ছেলে শেখ দিদার আলী সহ সর্বমোট ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। এবং আরো অনেক মুক্তিযোদ্ধা আহত হয়েছিল সেদিন। রাগ ক্ষোভ মেটাতে পরদিন পাকিস্তানীরা বংশীতলা দূর্বাচারা ও আশে পাশের এলাকায় বিমান হামলা করে।

দেশ স্বাধীনের পর ঐ সকল শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে বীর প্রতীক পদে উপাধি প্রদান করেন বর্তমান সরকার। কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়াতে শেখ দিদার আলীর বাড়ি রয়েছে। উক্ত বাড়িতে তার মাতা সহ সকলেই বসবাস করছে। তার নামে রাস্তার নামকরণ হয়েছে, তার নামে কুষ্টিয়া শহরে একটি স্কুল ও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মহান স্বাধীনতা ও মুজিব বর্ষ দিবস উপলক্ষে জয় নেহালের উদ্যোগে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত ও রত্নগর্ভা মাতা সুফিয়া বেগমকে গত ২৫ তারিখে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন জয় নেহাল মানবিক ইউনিটের সদস্যরা।

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2021-2022 । প্রতিবাদী কন্ঠ
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580