বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুষ্টিয়া কুমারখালীতে ২২ বছর ধরে চলছে বিনামূল্যের চক্ষু সেবা ক্যাম্প : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় শিল্পপতি আলাউদ্দিন আহমেদের জন্মদিনে ব্যতিক্রমী আত্মীয় সম্মেলন : প্রতিবাদী কন্ঠ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ: প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় জমিজমা সংক্রান্তের জেরে জখম ও লুটপাট :আদালতে মামলা : প্রতিবাদী কন্ঠ শিশু সন্তানকে আটকে বিদেশে পাচার বন্দে দুই বোনের নামে কুষ্টিয়া কোর্টে মামলা : প্রতিবাদী কন্ঠ সমন্বিত যোগ্যতায় এগিয়ে থাকায় আইসিটি’র লেকচারার পদে ফিরোজা নাজনীনের সুপারিশ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় পাথর বোঝাই ট্রাক উল্টে চালক ও হেলপারের মৃত্যু : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়া ভেড়ামারায় লেক ভরাট করে পার্ক নির্মাণের অভিযোগ : প্রতিবাদী কন্ঠ অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক পুলিশ হেফাজতে : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ার লাহিনী বটতলায় রহস্যজনক বিস্ফোরনে আহত ১

কুষ্টিয়ার চার সুদেল ব্যবসায়ীর খপ্পরে পড়ে হারুন এখন ঘরছাড়া : প্রতিবাদী কন্ঠ

নিজস্ব প্রতিনিধি :
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫
  • ১২৭ পাঠক পড়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি : মাছ ব্যবসার উপার্জিত অর্থে অতি কষ্টে পরিবার পরিজন নিয়ে চলছিল কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বারখাদা ত্রিমোহনী এলাকার ইউছুপের ছেলে হারুনের সুখের সংসার। হঠাৎই সুদেল ব্যবসায়ীদের কালো থাবায় নেমে আসে অন্ধকার, তছনছ করে দেয় তার সংসার। বর্তমানে তাদের ভয়ে সংসার ছেড়ে পালিয়ে বেড়াছে এই হারুন। হারুন একজন প্রতিষ্ঠিত মৎস্য ব্যবসায়ী হিসাবে দীর্ঘ ১০/১২ বছর ধরে এই পেশায় যুক্ত থেকে হালাল উপার্জন করে যাচ্ছিল। গত সাত বছর আগে তার কিছু অর্থের প্রয়োজন পড়লে উক্ত এলাকার ৪ জন সুদেল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর করে সুদের বিনিময়ে মোট পাঁচ লাখ ৭০ হাজার টাকা গ্রহন করেন।
এ বিষয়ে হারুনের কাছে জানতে চাওয়া হলে কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমি কুষ্টিয়া শহরের ভাগাড় এলাকায় বেশ কয়েকটি পুকুরে মাছের চাষ করে আসছিলাম প্রায় ১০/১২ বছর ধরে। হঠাৎ আমার অর্থের প্রয়োজন পড়ায় ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর করে গত ৭ বছর আগে মিরপুর উপজেলার গোবিন্দপুরের ফজলু ডাক্তারের ছেলে মনজুর আলম সুমনের কাছ থেকে শতকারা ১০% সুদে ২ লাখ টাকা, উক্ত এলাকার মমতাজুর রহমানের ছেলে মাছুদের কাছ থেকে ৩ মাস আগে শতকারা ১৫% সুদে ৭০ হাজার টাকা, বারখাদা ত্রিমোহনী এলাকার মনছুরের ছেলে শিপুর কাছ থেকে ৭ বছর আগে শতকারা ১০% সুদে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও উক্ত এলাকার পোল্লাদের কাছ থেকে ৭ বছর আগে শতকারা ১০% সুদে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহন করি। তার বিনিময়ে এই ৭ বছর ধরে প্রতিমাসে তারা আমার কাছ থেকে প্রতি মাসে সুদের অর্থ বুঝে নিত। গত ৫ই আগষ্টের পর থেকে আমার ব্যবসায়ে মন্দা দেখা দিলে তারপরও তাদের সুদের টাকা মিটিয়ে দিতে থাকি। গত ২ মাস আগে আমি এই সুদের টাকা না দিতে পারায় আমার ও আমার পরিবারের উপর নেমে আসে কঠিন বর্বরতা। একের পর হুমকি, থানায় অভিযোগ, আমার চেকের উপর বেশী টাকার অংক লিখে ব্যাংক থেকে ডিজঅনার করে মামলার প্রস্তুতি চালাছে এই চার সুদেল ব্যবসায়ী। এই সুদেল চক্রটি সম্প্রতি একটি পত্রিকায় আমার ছবি দিয়ে ‘পিতা-পুত্রের অভিনব কায়দায় টাকা আত্বসাৎ করার অভিযোগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছেন যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ইতিমধ্যে তারা আমার বাসায় পুলিশও পাঠিয়েছে।
তবে উক্ত চার সুদেল ব্যবসায়ী সম্পর্কে উক্ত এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই চার জনের একটি সিন্ডিকেট আছে, তারা শুধু হারুনকেই সুদের উপর টাকা দেয় নাই, তারা অত্র এলাকার একাধিক ব্যক্তিকে সুদের উপর টাকা দিয়ে অবৈধ ব্যবসা করে আসছে। তাদের ফাঁদে পড়ে হারুনের মত অনেকেই সর্বশান্ত হয়েছে এবং হচ্ছে। আমরা এই চার সুদেল ব্যবসায়ীর দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2021-2022 । প্রতিবাদী কন্ঠ
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580