
রেদোয়ানুল হক সবুজ : কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে ইটভাটা। ফসলি জমিতে একের পর এক ইটভাটা গড়ে ওঠায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। ভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ার প্রভাবে ফসলহানির আশঙ্কা করছেন তারা। এদিকে অধিকাংশ ভাটায় কয়লার পরিবর্তে অবাধে পোড়ানো হচ্ছে নিষিদ্ধ ঘোষিত কাঠ। এতে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে জনসাধারণ। এসব রোধে প্রশাসনিক তৎপরতার উপর গুরুত্ব দিয়েছে সচেতন এলাকাবাসী।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলা জুড়ে রয়েছে ২০৬টির মধ্যে ১৭৮টিই অবৈধ। এর মধ্যে চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনী পাড়া এলাকার দু’ধারে ফসলি জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে সাহেব-২ নামের ইটভাটা। বসতি ও আবাদি জমির আশপাশে ইটভাটা করা নিষিদ্ধ হলেও আবাদি জমিতে গড়ে উঠেছে এই ইটভাটাটি। প্রতি বছর ফসলের ক্ষতি হওয়ায় ফসলি জমির মাঝখান থেকে ইট ভাটা সরিয়ে নিতে কৃষকরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কুমারখালী উপজেলার লাহিনী পাড়া গ্রামের রমজান আলীর মেসার্স সাহেব-২ ব্রিকস নামের ইটভাটাটির চারপাশে কৃষি জমি। স্থানীয় কৃষকদের আপত্তি উপেক্ষা করে ভাটাটি নির্মাণ করা হয়। ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন কৃষক বলেন, গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তারা ভাটা নির্মাণে বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রভাবশালীরা পরিবেশ অধিদপ্তরকে ‘ম্যানেজ’ করে ভাটা নির্মাণ করেন। ভাটার চুল্লি জ্বালানো হলে আশপাশের মাটি গরম হয়ে যায়। চিমনি দিয়ে ধোঁয়ার সঙ্গে ছাই বেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এ অবস্থায় ফসলের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে ফসলসহ নানা জাতের ফলেরও।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে আমরা জেলা প্রশাসকের সাথে যোগাগে করে ব্যবস্থা নিব।