রবিবার, ০৯ জুন ২০২৪, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আবারো আলোচনায় সেই রবিজুল, দুজনকে তালাক দিতে ২২ গ্রাম প্রধানের চাপ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর কলেজে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় লিজকৃত রেলের জমি বিক্রি করে বাড়ী নির্মান : প্রতিবাদী কন্ঠ সরকার কোন দূর্ণীতিবাজকে পৃষ্টপোশকতা করছে না -এমপি হানিফ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধে ভ্রাম্যমান ল্যাবরেটরি ভ্যানের যাত্রা শুরু : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালায় মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই : প্রতিবাদী কন্ঠ সাংবাদিক ইউনিয়ন কুষ্টিয়ার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পান চাষিদের মাঝে চেক বিতরণ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় ১০ দিন পর ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার : প্রতিবাদী কন্ঠ বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে ভাইরাল দৌলতপুরের ওসি রফিকুল : প্রতিবাদী কন্ঠ

কুষ্টিয়ায় পদ্মার পানি কমলেও বেড়েছে ভাঙন

প্রতিবাদী কন্ঠ:
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১
  • ৫০০ পাঠক পড়েছে

কুষ্টিয়ায় একদিনে পদ্মায় আরও ১০ সেন্টিমিটার পানি কমেছে। আর পদ্মার প্রধান শাখা নদী গড়াইয়ে আরও ৯ সেন্টিমিটার পানি কমেছে। পানি কমতে থাকায় এই দুই নদীর উপকূলে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রতিবেদককে জানিয়েছে, পদ্মায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বিপৎসীমা ১৪ দশমিক ২৫ মিটার। আগের দিনের চেয়ে এখানে আজ আরও ১০ সেন্টিমিটার কমে পানি প্রবাহিত হচ্ছে ১৩ দশমিক ৯৫ মিটার উচ্চতায়। এখন বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গড়াই নদীতেও ৯ সেন্টিমিটার পানি কমে বিপৎসীমা ৪৯ সেন্টিমিটার নিচ নিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তবে বন্যা পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, ২৮ আগস্ট থেকে কুষ্টিয়ায় পানি বাড়তে পারে। এদিকে দ্রুত পানি কমতে থাকায় পদ্মা ও গড়াইয়ে দুই নদীর উপকূলে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভেড়ামারার রায়টাঘাট, মিরপুরের তালবাড়ীয়া, কুমারখালীর শিলাইদহ ও শাওতা গ্রাম, খোকসা শহর রক্ষা বাঁধ, শেখ রাসেল কুষ্টিয়া-হরিপুর সংযোগ সেতুর প্রতিরক্ষা বাঁধসহ ১২টি পয়েন্টে ভাঙনরোধে বালুর বস্তা ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে ইতিমধ্যেই অনেকের বাড়িঘর, ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন অনেকে।

অন্যদিকে প্লাবিত হওয়া কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ৪০টি গ্রামের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। পানি নেমে যেতে শুরু করেছে। এখনও রামকৃষ্ণপুর, চিলমারি ইউনিয়নের ৪০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ দুর্ভোগে রয়েছেন। প্রশাসনের উদ্যোগে এখানে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু সেটি পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়েছেন সেখানকার বন্যা কবলিতরা।

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2021-2022 । প্রতিবাদী কন্ঠ
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580