সোমবার, ১০ জুন ২০২৪, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আবারো আলোচনায় সেই রবিজুল, দুজনকে তালাক দিতে ২২ গ্রাম প্রধানের চাপ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর কলেজে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় লিজকৃত রেলের জমি বিক্রি করে বাড়ী নির্মান : প্রতিবাদী কন্ঠ সরকার কোন দূর্ণীতিবাজকে পৃষ্টপোশকতা করছে না -এমপি হানিফ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধে ভ্রাম্যমান ল্যাবরেটরি ভ্যানের যাত্রা শুরু : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালায় মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই : প্রতিবাদী কন্ঠ সাংবাদিক ইউনিয়ন কুষ্টিয়ার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পান চাষিদের মাঝে চেক বিতরণ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় ১০ দিন পর ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার : প্রতিবাদী কন্ঠ বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে ভাইরাল দৌলতপুরের ওসি রফিকুল : প্রতিবাদী কন্ঠ

কুষ্টিয়ার জিকে সেচ প্রকল্পের দুটি পাম্প নষ্টের কারনে চাষিরা বিপাকে : প্রতিবাদী কন্ঠ

প্রতিবাদী কন্ঠ ডেস্ক ॥
  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২
  • ২৫৮ পাঠক পড়েছে

প্রতিবাদী কণ্ঠ ডেস্ক : ভরা আমন মৌসুমে কৃষকের জমিতে সেচের পানি নিশ্চিত করতে সরকার নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করলেও কুষ্টিয়া ভেড়ামারায় দেশের বৃহত্তর গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের তিনটি প্রধান পাম্পের মধ্যে দুটিই পড়ে আছে বিকল হয়ে। এতে স্বল্প খরচে তিন মৌসুমে নির্বিঘ্নে সেচ সুবিধা পাওয়া এ অঞ্চলের চাষীরা চাষিরা পড়েছেন বিপাকে। একটি সচল থাকলেও দুটি পাম্প বিকল থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কর্তৃপক্ষও। দ্রুতই পাম্প দুটি মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
১৯৬২ সাল থেকে কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও মাগুরা জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ৯৫ হাজার হেক্টর জমিতে স্বল্প খরচে সেচ সুবিধা দিয়ে আসছে দেশের বৃহত্তম এই সেচ প্রকল্পটি। গত বছরের মে মাসে এই সেচ প্রকল্পটির ২ নম্বর পাম্পটি বিকল হয় এবং চলতি বছরে বিকল হয়ে পড়ে ৩ নম্বর পাম্পটিও। বর্তমানে সচল একটি মাত্র পাম্প দিয়েই চলছে সেচ কার্যক্রম। চলতি আমনের ভরা মৌসুমে বেশির ভাগ মাঠেই ডিজেলচালিত শ্যালোমেশিন দিয়ে সেচের পানির চাহিদা পূরণ করছেন তারা।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুটি পাম্প বিকল থাকায় একটি মাত্র পাম্প দিয়ে সবোর্চ্চ সেচ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। এতে কৃষকেরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। বিকল হওয়া পাম্প দুটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। দ্রুতই এই সমস্যা সমাধান হবে। গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের তথ্য মতে, তিনটি পাম্প একসঙ্গে চালু থাকলে পদ্মা নদী থেকে প্রতি সেকেন্ডে তিন হাজার ৯০০ কিউসেক পানি আবাদি জমিতে দেওয়া সম্ভব হয়l

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2021-2022 । প্রতিবাদী কন্ঠ
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580