রবিবার, ০৯ জুন ২০২৪, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আবারো আলোচনায় সেই রবিজুল, দুজনকে তালাক দিতে ২২ গ্রাম প্রধানের চাপ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর কলেজে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় লিজকৃত রেলের জমি বিক্রি করে বাড়ী নির্মান : প্রতিবাদী কন্ঠ সরকার কোন দূর্ণীতিবাজকে পৃষ্টপোশকতা করছে না -এমপি হানিফ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধে ভ্রাম্যমান ল্যাবরেটরি ভ্যানের যাত্রা শুরু : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালায় মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই : প্রতিবাদী কন্ঠ সাংবাদিক ইউনিয়ন কুষ্টিয়ার সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পান চাষিদের মাঝে চেক বিতরণ : প্রতিবাদী কন্ঠ কুষ্টিয়ায় ১০ দিন পর ইজিবাইক চালকের লাশ উদ্ধার : প্রতিবাদী কন্ঠ বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে ভাইরাল দৌলতপুরের ওসি রফিকুল : প্রতিবাদী কন্ঠ

কুষ্টিয়ায় জিগজ্যাগ ইটভাটা মালিক সমিতির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা

কামরুজ্জামান রিপন;
  • প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬৬৩ পাঠক পড়েছে

কুষ্টিয়া জেলার জিগজ্যাগ ইটভাটা মালিক সমিতির নতুন কমিটির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা কুষ্টিয়া শহরের চিলিচ পার্কে ১২ তারিখ মঙ্গলবার সকাল ১১ টার সময় অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন জিগজ্যাগ ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি হাজী মো: নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, সম্পাদক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমারখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কুমারখালী উপজেলার চেয়ারম্যান মান্নান খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম লিটু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জিগজ্যাগ ভাটা মালিকের সকল নেতৃবৃন্দ।

জিগজ্যাগ ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মান্নান খান ও জাহিদুল ইসলাম লিটু তাদের বক্তব্যে সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে কোন ভাটা মালিক জীববৈচিত্র্য বিনষ্ট করে কয়লা ব্যবহারের পরিবর্তে কোন ভাটাতেই কাঠ খড়ি ব্যবহার করা যাবে না। তারা এটাও বলেন, ২০১৩ সালে ড্রাম চিমনি বিলুপ্তি ঘোষণা করেন তবুও কুষ্টিয়া জেলাতে এখনো প্রচুর ড্রাম চিমনি বসিয়ে কাঠ দিয়ে ইট পুড়িয়ে যাচ্ছেন কিছু অসাধু প্রশাসনের নির্দেশে। কুষ্টিয়াতে প্রায় ২০০ টির মত ইটভাটা রয়েছে তার মধ্যে ৫০টি রয়েছে জিগজ্যাগ ভাটা। ১২০ ফিট ফিক্সড চিমনি ইটভাটাতেও কয়লা ব্যবহার না করে খড়ি ব্যবহার করে চলেছেন। যার ফলে আমরা মোটা মালিকগণ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।

নেতৃবৃন্দরা এটাও বলেন বন উজাড় করে এখন আর ঐসকল অসাধু ইটভাটা মালিকদের ভাটা চালাতে দিব না, প্রয়োজনে আমরা উপর মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করব, প্রয়োজন হলে মানববন্ধন করব তবুও পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট করতে দিব না। অবশেষে উক্ত আলোচনা সভায় সকলের সর্ব সম্মতিক্রমে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে ইটভাটার কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

নিউজটি শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
© All rights reserved © 2021-2022 । প্রতিবাদী কন্ঠ
Design and Developed by DONET IT
SheraWeb.Com_2580